কুড়িগ্রাম প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের (২য় ফেজ) অবহিতকরণ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন দপ্তরের পেশা ও শ্রমজীবী মানুষজন অংশ গ্রহন করেন।
আজ বুধবার (২১ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদরের সমাজসেবা কার্যালয়ে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উত্তম কুমার, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহা. হুমায়ূন কবির, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আ. ন. ম. গোলাম মোহাইমেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. কামরুল হাসান, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, ফজলুল করিম ফারাজী, সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. আবু সুফিয়ানসহ প্রমুখ।
এসময় জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুহা. হুমায়ূন কবির বলেন, সারাদেশের ১৫০টি উপজেলায় একযোগে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি জানান, কুড়িগ্রাম সদর ও রাজারহাট উপজেলায় এই প্রকল্পের আওতায় ১০ ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এসময় লোকজ যন্ত্র কারিগর সুমন চন্দ্র বলেন, আমরা লোকজ যন্ত্র তৈরি করি। এসব যন্ত্র সংস্কার করতে অর্থের প্রয়োজন। অর্থের অভাবে আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করতে পারছি না বলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। সমাজ সেবার সহযোগিতায় পেশাটিকে ধরে রাখাসহ আমাদের জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব হবে।

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৫
কুড়িগ্রাম প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের (২য় ফেজ) অবহিতকরণ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন দপ্তরের পেশা ও শ্রমজীবী মানুষজন অংশ গ্রহন করেন।
আজ বুধবার (২১ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদরের সমাজসেবা কার্যালয়ে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উত্তম কুমার, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহা. হুমায়ূন কবির, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আ. ন. ম. গোলাম মোহাইমেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. কামরুল হাসান, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, ফজলুল করিম ফারাজী, সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. আবু সুফিয়ানসহ প্রমুখ।
এসময় জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুহা. হুমায়ূন কবির বলেন, সারাদেশের ১৫০টি উপজেলায় একযোগে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি জানান, কুড়িগ্রাম সদর ও রাজারহাট উপজেলায় এই প্রকল্পের আওতায় ১০ ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এসময় লোকজ যন্ত্র কারিগর সুমন চন্দ্র বলেন, আমরা লোকজ যন্ত্র তৈরি করি। এসব যন্ত্র সংস্কার করতে অর্থের প্রয়োজন। অর্থের অভাবে আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করতে পারছি না বলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। সমাজ সেবার সহযোগিতায় পেশাটিকে ধরে রাখাসহ আমাদের জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন