কক্সবাজার শহরের পেশকার পাড়া লাগোয়া বাঁকখালী নদীর তীর দখল করে বহুতল আলিশান ভবন নির্মাণ করেছেন ইউপি সচিব শিহাব উদ্দিন। ইতিপুর্বে ২য় তলার কাজ সম্পন্ন করে ৩য় তলার কাজ চলমান রয়েছে। একজন ইউপি সচিব হয়ে নদীর জায়গা দখল করে কোটি টাকার ভবণ নির্মাণ নিয়ে দুদকের তদন্তের দাবী জানান অনেকে।
বাঁকখালী নদীর তীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ ঠেকাতে পরিষদে উপস্থিত না থেকে নানা তৎপরতায় নেতৃত্ত দিয়েছে ইউপি সচিব শিহাব উদ্দিন। প্রাপ্ত তথ্যমতে, নিজ উপজেলায় দ্বায়িত্ব পালনের নিয়ম না থাকা সত্তেও নানা তদবিরে নিজ ইউনিয়নের পাশের ইউনিয়নে বারংবার দ্বায়িত্ব পালন করছেন ইউপি সচিব শিহাব উদ্দিন। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএম খালী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদে সচিবের অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে রয়েছেন।
পিএম খালী ইউনিয়নের পার্শবর্তি ইউনিয়ন ভারুয়াখালীতে তার নিজ বাড়ী। গত ৮/৯ মাস পুর্বে উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদে দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে নানা তদবিরে পিএম খালী ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করেন। এর পুর্বেও পিএম খালী ইউনিয়ন পরিষদে ৩ বছর দ্বায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় দ্বায়িত্বকালীন তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। তিনি জেলা ইউপি সচিবদের কমিটির সভাপতির দ্বায়িত্বেও রয়েছেন।
পেশকার পাড়ার স্থানিয়রা জানান, গেল ২ বছর পুর্ব থেকে পেশকার পাড়া অংশে বাঁকখালী নদীর তীর দখল করে বহুতল ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। রাজনৈতিক নেতা, সরকারী চাকরীজিবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নদীর চর দখলে জড়িত। চলমান উচ্ছেদ অভিযান ঠেকাতে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে সিহাব উদ্দিন সহ বেশ কয়েকজন। এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার দাবী স্থানিয়দের।
পিএম খালী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের স্থানিয় বেশ কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইউপি সচিব সিহাব উদ্দিন নিয়মিত অফিস করেননা। তার ইচ্ছেমত আসে-যায়। বেশিরভাগ কক্সবাজার শহরে থাকলেও প্রায় সময় ঢাকা যাওয়ার কথা বলে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। প্রায় প্রতি মাসে বিমান যোগে ঢাকা যাওয়ার বিষয় ও অলিশান জীবন যাপন নিয়েও কথা বলেন অনেকে।জানতে চাইলে ইউপি সচিব দুলাল পাল বলেন, তিনি হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করলেও তাকে দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দেননি শিহাব উদ্দিন। তিনি হলদিয়াপালং থেকে টেকনাফে বদলি হয়েছেন বলেও জানান।
জানতে চাইলে ইউপি সচিব শিহাব উদ্দিন জানান, তিনি কয়েক বছর পুর্বে ৪ গন্ডা খাস জমি ক্রয় করে ভবনটি নির্মাণ করেছেন। কোটি টাকা খরচ করে ভবন নির্মানে টাকার উৎস্য জানতে চাইলে কোন উত্তর না দিলেও সময়ের অভাবে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবকে দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে পারেননি বলে স্বীকার করেন।
জেলা ইউপি সচিবদের কমিটির সভাপতির দ্বায়িত্বে থাকায় বিভিন্ন কাজ নিয়ে সময় বাচাতে বিমান যোগে ঢাকায় যাওয়ার কথা জানান তিনি।
এদিকে কক্সবাজার শহরের প্রাণ কেন্দ্র কস্তুরাঘাটস্থ বাঁকখালী নদীর তীরে অবৈধভাবে দখল করে তৈরি স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানিয়রা জানান, গত ২ দিনের মত পেশকার পাড়া অংশে বাঁকখালী নদীর তীরে অবৈধভাবে দখল করে তৈরি সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করা হোক। নদীর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হোক।

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কক্সবাজার শহরের পেশকার পাড়া লাগোয়া বাঁকখালী নদীর তীর দখল করে বহুতল আলিশান ভবন নির্মাণ করেছেন ইউপি সচিব শিহাব উদ্দিন। ইতিপুর্বে ২য় তলার কাজ সম্পন্ন করে ৩য় তলার কাজ চলমান রয়েছে। একজন ইউপি সচিব হয়ে নদীর জায়গা দখল করে কোটি টাকার ভবণ নির্মাণ নিয়ে দুদকের তদন্তের দাবী জানান অনেকে।
বাঁকখালী নদীর তীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ ঠেকাতে পরিষদে উপস্থিত না থেকে নানা তৎপরতায় নেতৃত্ত দিয়েছে ইউপি সচিব শিহাব উদ্দিন। প্রাপ্ত তথ্যমতে, নিজ উপজেলায় দ্বায়িত্ব পালনের নিয়ম না থাকা সত্তেও নানা তদবিরে নিজ ইউনিয়নের পাশের ইউনিয়নে বারংবার দ্বায়িত্ব পালন করছেন ইউপি সচিব শিহাব উদ্দিন। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএম খালী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদে সচিবের অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে রয়েছেন।
পিএম খালী ইউনিয়নের পার্শবর্তি ইউনিয়ন ভারুয়াখালীতে তার নিজ বাড়ী। গত ৮/৯ মাস পুর্বে উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদে দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে নানা তদবিরে পিএম খালী ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করেন। এর পুর্বেও পিএম খালী ইউনিয়ন পরিষদে ৩ বছর দ্বায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় দ্বায়িত্বকালীন তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। তিনি জেলা ইউপি সচিবদের কমিটির সভাপতির দ্বায়িত্বেও রয়েছেন।
পেশকার পাড়ার স্থানিয়রা জানান, গেল ২ বছর পুর্ব থেকে পেশকার পাড়া অংশে বাঁকখালী নদীর তীর দখল করে বহুতল ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। রাজনৈতিক নেতা, সরকারী চাকরীজিবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নদীর চর দখলে জড়িত। চলমান উচ্ছেদ অভিযান ঠেকাতে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে সিহাব উদ্দিন সহ বেশ কয়েকজন। এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার দাবী স্থানিয়দের।
পিএম খালী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের স্থানিয় বেশ কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইউপি সচিব সিহাব উদ্দিন নিয়মিত অফিস করেননা। তার ইচ্ছেমত আসে-যায়। বেশিরভাগ কক্সবাজার শহরে থাকলেও প্রায় সময় ঢাকা যাওয়ার কথা বলে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। প্রায় প্রতি মাসে বিমান যোগে ঢাকা যাওয়ার বিষয় ও অলিশান জীবন যাপন নিয়েও কথা বলেন অনেকে।জানতে চাইলে ইউপি সচিব দুলাল পাল বলেন, তিনি হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করলেও তাকে দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দেননি শিহাব উদ্দিন। তিনি হলদিয়াপালং থেকে টেকনাফে বদলি হয়েছেন বলেও জানান।
জানতে চাইলে ইউপি সচিব শিহাব উদ্দিন জানান, তিনি কয়েক বছর পুর্বে ৪ গন্ডা খাস জমি ক্রয় করে ভবনটি নির্মাণ করেছেন। কোটি টাকা খরচ করে ভবন নির্মানে টাকার উৎস্য জানতে চাইলে কোন উত্তর না দিলেও সময়ের অভাবে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবকে দ্বায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে পারেননি বলে স্বীকার করেন।
জেলা ইউপি সচিবদের কমিটির সভাপতির দ্বায়িত্বে থাকায় বিভিন্ন কাজ নিয়ে সময় বাচাতে বিমান যোগে ঢাকায় যাওয়ার কথা জানান তিনি।
এদিকে কক্সবাজার শহরের প্রাণ কেন্দ্র কস্তুরাঘাটস্থ বাঁকখালী নদীর তীরে অবৈধভাবে দখল করে তৈরি স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানিয়রা জানান, গত ২ দিনের মত পেশকার পাড়া অংশে বাঁকখালী নদীর তীরে অবৈধভাবে দখল করে তৈরি সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করা হোক। নদীর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হোক।

আপনার মতামত লিখুন