কক্সবাজার সদর উপজেলা ঝিলংজা ইউনিয়ন এর ৮নং ওয়ার্ড চরপাড়া এলাকায় একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই সময় আনছারুল্লাহ নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়। খোঁজ খবর নিয়ে যায়,আনছারুল্লাহ মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে এই হামালার শিকার হন। তিনি এলাকায় সমাজের সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। সোমবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,বিগত কয়েক মাস ধরে বহিরাগত কিছু ছেলে এলাকায় এসে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড করে যাচ্ছে।তাদের এই অপকর্ম এলাকার মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে।এমন অবস্থায় এলাকার মানুষ ও সমাজ প্রতিনিধিরা তাদেরকে নিষেধ করলেও উল্টো তাদেরকে অমান্য করে বারবার অপরাধ করে যাচ্ছে। কিন্তু এসব বিষয়ে আনছারুল্লাহ নিজেকে সমাজের একজন সাধারণ প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে তাদেরকে নিষেধ করেন।তবুও তারা মাদক সেবক এবং মাদক বিক্রে সহ নানান কার্যকলাপ করে আসছে।স্থানীয়দের তথ্যসূত্রে জানা যায়, গেল শুক্রবার সকালে বেলাল,আলমগীর শাকিল এরা সবাই বেলালের বাড়িতে মাদক বিক্রেতা ও জুয়ার আসর বসিয়েছিলেন।এই সময় তাদেরকে আনছারুল্লাহ দেখে পরে নিষেধ করতে গেলে উল্টো তাকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এবং তাকে দেশীয় দায়ের একটি কোপ দেয়া হয়। এসময় তার হাতে যখন করা হয়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে বর্তমানে তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি এজেহার দায়ের করা হয়েছে।এ ঘটনার সুত্রে সোমবার দুপুরে সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্ত করতে যায়।তবে ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি যারা অপরাধের সাথে লিপ্ত রয়েছে তাদেরকে দ্রুত সময় গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সন্তান জানান,আমার ভাই চোরা চালান মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এলাকায় অবস্থান করে। এবং বেলাল নামে এক ব্যক্তি খুরুলিয়া ডেইঙ্গাপাড়া থেকে এসে চরপাড়া এলাকায় কয়েক মাস ধরে বাড়িঘর করে বসাবাস করে যাচ্ছে। সেই লোক এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে গেলেও কক্সবাজার থেকে বহিরাগত ছেলে এনেই এই এলাকায় বিভিন্ন অপরাধ ও ইয়াবা ব্যবসা এবং জুয়ার আসর চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু তাদেরকে সমাজের মানুষ ও প্রতিবেশীরা নিষেধ করলে তারা শুনে না। তাই শুক্রবার নামাজের আগে তাদেরকে ইয়াবা ব্যবসার বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে উল্টো হামলা করে। তখন আনছারুল্লাহর হাতের একটি মাংস বিচ্ছিন্ন হয় যায়। বর্তমানে আমার ভাই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছে। তবে এ ঘটনায় যারা যারা জড়িত রয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য সকল প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কক্সবাজার সদর উপজেলা ঝিলংজা ইউনিয়ন এর ৮নং ওয়ার্ড চরপাড়া এলাকায় একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই সময় আনছারুল্লাহ নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়। খোঁজ খবর নিয়ে যায়,আনছারুল্লাহ মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে এই হামালার শিকার হন। তিনি এলাকায় সমাজের সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। সোমবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,বিগত কয়েক মাস ধরে বহিরাগত কিছু ছেলে এলাকায় এসে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড করে যাচ্ছে।তাদের এই অপকর্ম এলাকার মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে।এমন অবস্থায় এলাকার মানুষ ও সমাজ প্রতিনিধিরা তাদেরকে নিষেধ করলেও উল্টো তাদেরকে অমান্য করে বারবার অপরাধ করে যাচ্ছে। কিন্তু এসব বিষয়ে আনছারুল্লাহ নিজেকে সমাজের একজন সাধারণ প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে তাদেরকে নিষেধ করেন।তবুও তারা মাদক সেবক এবং মাদক বিক্রে সহ নানান কার্যকলাপ করে আসছে।স্থানীয়দের তথ্যসূত্রে জানা যায়, গেল শুক্রবার সকালে বেলাল,আলমগীর শাকিল এরা সবাই বেলালের বাড়িতে মাদক বিক্রেতা ও জুয়ার আসর বসিয়েছিলেন।এই সময় তাদেরকে আনছারুল্লাহ দেখে পরে নিষেধ করতে গেলে উল্টো তাকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এবং তাকে দেশীয় দায়ের একটি কোপ দেয়া হয়। এসময় তার হাতে যখন করা হয়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে বর্তমানে তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি এজেহার দায়ের করা হয়েছে।এ ঘটনার সুত্রে সোমবার দুপুরে সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্ত করতে যায়।তবে ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি যারা অপরাধের সাথে লিপ্ত রয়েছে তাদেরকে দ্রুত সময় গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সন্তান জানান,আমার ভাই চোরা চালান মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এলাকায় অবস্থান করে। এবং বেলাল নামে এক ব্যক্তি খুরুলিয়া ডেইঙ্গাপাড়া থেকে এসে চরপাড়া এলাকায় কয়েক মাস ধরে বাড়িঘর করে বসাবাস করে যাচ্ছে। সেই লোক এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে গেলেও কক্সবাজার থেকে বহিরাগত ছেলে এনেই এই এলাকায় বিভিন্ন অপরাধ ও ইয়াবা ব্যবসা এবং জুয়ার আসর চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু তাদেরকে সমাজের মানুষ ও প্রতিবেশীরা নিষেধ করলে তারা শুনে না। তাই শুক্রবার নামাজের আগে তাদেরকে ইয়াবা ব্যবসার বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে উল্টো হামলা করে। তখন আনছারুল্লাহর হাতের একটি মাংস বিচ্ছিন্ন হয় যায়। বর্তমানে আমার ভাই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিসাধীন রয়েছে। তবে এ ঘটনায় যারা যারা জড়িত রয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য সকল প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন