টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পৃথক দুটি অভিযানে ৯৪,০০০ পিস ইয়াবা ও ১২০ পিস ইয়াবাসহ মোট ৪ জন মাদক পাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় ৩ জন পলাতক রয়েছে, যাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাতের অন্ধকারে প্রযুক্তির সহায়তায় প্রথম গ্রেপ্তার
২১ নভেম্বর ভোররাত ৪টার দিকে মিয়ানমারের দিক থেকে নাফ নদী সাঁতরে দুই ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসে বিজিবির। দ্রুত অ্যাকশনে গিয়ে মাঝ নদী থেকে ৪৪,০০০ পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়। তার নাম মো.ইব্রাহিম (১৮), গ্রাম পেরাম–প্রু, মংডু, মিয়ানমার।
কেওড়া জঙ্গলে ঘেরাও—আরও দুইজন আটক
একজন পালিয়ে জালিয়ার দ্বীপের কেওড়া বাগানে ঢুকে পড়লে অভিযান আরও বিস্তৃত করা হয়। প্রতিকূল পরিবেশে দীর্ঘ সময় ধরে চিরুনি তল্লাশির পর পলাতক পাচারকারী মো. জুনায়েদ (১৫) ও লুকিয়ে থাকা আরেক পাচারকারী আব্দুর রাজ্জাক (২০)–কে আটক করে বিজিবি।
দুপুর-সন্ধ্যার টানা তল্লাশির পর সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে কেওড়া বনের গর্ত খুঁড়ে আরও ৫০.০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাত ৮টায় অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
অতিরিক্ত একটি ঘটনায় মোটরসাইকেলে ইয়াবা উদ্ধার
একই দিন রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে স্থাপিত চেকপোস্টে তল্লাশির সময় একটি ইয়ামাহা আর–ওয়ান–ফাইভ মোটরসাইকেল থেকে ১২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটক ব্যক্তি হলেন মো. আরিফ (২৫), দক্ষিণ রেমালিয়ারছড়া, কক্সবাজার।
ডিলার চক্র শনাক্ত
বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবার সঙ্গে জড়িত মাদক ডিলার মো. জয়নাল ও মো. রফিকের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
প্রথম অভিযান: ৯৪,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার – গ্রেপ্তার ৩, পলাতক ২,অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত, মোঃ ইব্রাহিম (১৮),পিতা: নুর মোহাম্মদ,গ্রাম: পেরাম-প্রু, থানা: মংডু, মায়ানমার,মোঃ জুনায়েদ (১৫),পিতা: নবী হোসেন,গ্রাম: সোয়ে জার, জেলা: মংডু, মায়ানমার,আব্দুর রাজ্জাক (২০) পিতা: মৃত হোসেন, গ্রাম: কেরানতলী, ৯ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ ইউনিয়ন, কক্সবাজার
পলাতককারীরা হলেন,মোহাম্মদ জয়নাল (৩০) পিতা: সৈয়দ হোসেন গ্রাম: কেরানতলী, ৯ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ,মোহাম্মদ রফিক (২৫) পিতা: মোহাম্মদ মোস্তাক গ্রাম: কেরানতলী, ৯ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ
দ্বিতীয় অভিযানে, ১২০ পিস ইয়াবা ও মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ১, পলাতক ১,গ্রেপ্তারকৃত আসামী মোঃ আরিফ (২৫)
পিতা: ফরিদ আলম,গ্রাম: দক্ষিণ রেমালিয়ারছড়া পূর্ব, কক্সবাজার সদর, পলাতক আসামী হলেন মোঃ ইউসুফ (২০)
পিতা: অজ্ঞাত,গ্রাম: দড়গার ছড়া, মিঠাপানিরছড়া, টেকনাফ।
২০২৫ সালের শুরু থেকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য,২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত টেকনাফ ২ বিজিব,১২৩ জন আসামি আটক,২৮৫ জন মানব পাচারের ভুক্তভোগী উদ্ধার
১৭৪ কোটি ১৭ লাখ টাকার মাদক ও মালামাল জব্দ,৫১ লাখ ৪৫ হাজার ৪১২ পিস ইয়াবা,,২.৯৪ কেজি ক্রিস্টাল মেথ,১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র,৬৯টি হাতবোমা উদ্ধার করেছে।
টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন—টেকনাফ সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গাও অপরাধীদের জন্য নিরাপদ নয়। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ নভেম্বর ২০২৫
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পৃথক দুটি অভিযানে ৯৪,০০০ পিস ইয়াবা ও ১২০ পিস ইয়াবাসহ মোট ৪ জন মাদক পাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় ৩ জন পলাতক রয়েছে, যাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাতের অন্ধকারে প্রযুক্তির সহায়তায় প্রথম গ্রেপ্তার
২১ নভেম্বর ভোররাত ৪টার দিকে মিয়ানমারের দিক থেকে নাফ নদী সাঁতরে দুই ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসে বিজিবির। দ্রুত অ্যাকশনে গিয়ে মাঝ নদী থেকে ৪৪,০০০ পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়। তার নাম মো.ইব্রাহিম (১৮), গ্রাম পেরাম–প্রু, মংডু, মিয়ানমার।
কেওড়া জঙ্গলে ঘেরাও—আরও দুইজন আটক
একজন পালিয়ে জালিয়ার দ্বীপের কেওড়া বাগানে ঢুকে পড়লে অভিযান আরও বিস্তৃত করা হয়। প্রতিকূল পরিবেশে দীর্ঘ সময় ধরে চিরুনি তল্লাশির পর পলাতক পাচারকারী মো. জুনায়েদ (১৫) ও লুকিয়ে থাকা আরেক পাচারকারী আব্দুর রাজ্জাক (২০)–কে আটক করে বিজিবি।
দুপুর-সন্ধ্যার টানা তল্লাশির পর সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে কেওড়া বনের গর্ত খুঁড়ে আরও ৫০.০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাত ৮টায় অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
অতিরিক্ত একটি ঘটনায় মোটরসাইকেলে ইয়াবা উদ্ধার
একই দিন রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে স্থাপিত চেকপোস্টে তল্লাশির সময় একটি ইয়ামাহা আর–ওয়ান–ফাইভ মোটরসাইকেল থেকে ১২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটক ব্যক্তি হলেন মো. আরিফ (২৫), দক্ষিণ রেমালিয়ারছড়া, কক্সবাজার।
ডিলার চক্র শনাক্ত
বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবার সঙ্গে জড়িত মাদক ডিলার মো. জয়নাল ও মো. রফিকের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
প্রথম অভিযান: ৯৪,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার – গ্রেপ্তার ৩, পলাতক ২,অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত, মোঃ ইব্রাহিম (১৮),পিতা: নুর মোহাম্মদ,গ্রাম: পেরাম-প্রু, থানা: মংডু, মায়ানমার,মোঃ জুনায়েদ (১৫),পিতা: নবী হোসেন,গ্রাম: সোয়ে জার, জেলা: মংডু, মায়ানমার,আব্দুর রাজ্জাক (২০) পিতা: মৃত হোসেন, গ্রাম: কেরানতলী, ৯ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ ইউনিয়ন, কক্সবাজার
পলাতককারীরা হলেন,মোহাম্মদ জয়নাল (৩০) পিতা: সৈয়দ হোসেন গ্রাম: কেরানতলী, ৯ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ,মোহাম্মদ রফিক (২৫) পিতা: মোহাম্মদ মোস্তাক গ্রাম: কেরানতলী, ৯ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ
দ্বিতীয় অভিযানে, ১২০ পিস ইয়াবা ও মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ১, পলাতক ১,গ্রেপ্তারকৃত আসামী মোঃ আরিফ (২৫)
পিতা: ফরিদ আলম,গ্রাম: দক্ষিণ রেমালিয়ারছড়া পূর্ব, কক্সবাজার সদর, পলাতক আসামী হলেন মোঃ ইউসুফ (২০)
পিতা: অজ্ঞাত,গ্রাম: দড়গার ছড়া, মিঠাপানিরছড়া, টেকনাফ।
২০২৫ সালের শুরু থেকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য,২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত টেকনাফ ২ বিজিব,১২৩ জন আসামি আটক,২৮৫ জন মানব পাচারের ভুক্তভোগী উদ্ধার
১৭৪ কোটি ১৭ লাখ টাকার মাদক ও মালামাল জব্দ,৫১ লাখ ৪৫ হাজার ৪১২ পিস ইয়াবা,,২.৯৪ কেজি ক্রিস্টাল মেথ,১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র,৬৯টি হাতবোমা উদ্ধার করেছে।
টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন—টেকনাফ সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গাও অপরাধীদের জন্য নিরাপদ নয়। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন